
এমপক্স সাধারণত গুটিবসন্তের মতো একই গোত্রীয় ভাইরাস তবে এটি গুটিবসন্তের থেকে অনেক কম ক্ষতিকারক। এই রোগের সৃষ্টি হয় অর্থোপক্স ভাইরাস এমপক্সের মাধ্যমে, যার পূর্ব নাম ‘মাঙ্কিপক্স ভাইরাস’। প্রথমে এটি প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়েছিল। কিন্তু এখন এটি মানুষ থেকে মানুষেও ছড়ায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী ২০২২ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে প্রায় ১ লাখ মানুষের এমপক্স শনাক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে মারা গেছেন প্রায় ২ শত মানুষ।
এমপক্স এর লক্ষণগুলো কী?
১। এ রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো গুলো হল জ্বর, মাথাব্যথা, ফোলা, পিঠে এবং পেশিতে ব্যথা।
২। আক্রান্ত ব্যক্তির একবার জ্বর উঠলে গায়ে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। সাধারণত মুখ থেকে শুরু হয়ে শরীরের অন্যান্য অংশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
৩। সংক্রমণের ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে এটি নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যেতে পারে।
৪। তবে ছোট শিশুসহ ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর জন্য কিছু ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত মারাত্মক।
ঘরে বসে যেকোনো স্থানে সহজেই বাসা খুঁজে পেতে অথবা বাসা ভাড়ার বিজ্ঞাপন দিতে ভিজিট করুন Bdbasavara.com ওয়েবসাইটে।
এমপক্স কীভাবে ছড়ায়?
১। এমপক্স সংক্রমিত ব্যক্তির সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করলে।
২। সরাসরি সংস্পর্শ কিংবা আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি এসে কথা বললে।
৩। ভাইরাসটি ফাটা চামড়া, শ্বাসতন্ত্র বা চোখ, নাক বা মুখ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
৪। ভাইরাসে দূষিত হয়েছে এমন জিনিস যেমন বিছানা, পোশাক এবং তোয়ালে স্পর্শের মাধ্যমেও এটি ছড়াতে পারে।
৫। বানর, ইঁদুর এবং কাঠবিড়ালির মতো কোনো প্রাণী যদি এতে সংক্রমিত হয় আর কেউ যদি ওই সংক্রমিত প্রাণীর সঙ্গে বেশি কাছাকাছি আসে তবে তিনি এতে আক্রান্ত হতে পারেন।
আরও দেখুন- আয়না ঘর কি?



